Love story অবৈধ ভালোবাসা
Welcome to our website Bengalilyricss.com. Bangla love story, shayari,love sms,  on others contents provide on this website. bengali love story poem enjoy read the bengali love story on bengali language.

পরী ভাত রান্না করছে রান্না ঘরে  আর সিরাজ ডাইনিং টেবিলে বসে আছে হাত মুখ ধুয়ে। টেবিলের উপরে রাখা পরীর ফোনটা হঠাৎ বেজে উঠলো। পরীকে ২ বার ডাকার পরও কোনো সারা না পাওয়ায় নিজেই ফোনটা রিসিভ করলো সিরাজ। হ্যালো বলার আগেই ওপাশ থেকে কথা শুরু হলো  "কী করছো সোনা হ্যালো হ্যালো "ফোনটা কেটে দিলো, মেজাস খারাপ হয়ে গেলো সিরাজের। সিরাজের মাথায় নানান প্রশ্ন ঘুর পাক খাচ্ছে। এমন সময় পরী এসে বললো এই নাও তোমার খাবার। আমি বললাম তোমার ফোনে কেউ কল করেছিলো পরী বললো কখন আমি বললাম এইতো একটু আগে।
সিরাজ দেখলো পরী কিছুটা আতংকিত হয়ে আবার সাভাবিক হবার চেষ্টা করছে। পরী কিছুটা হাসির ভান করলো। আর সিরাজকে বললো কে ছিলো গো কী বললো।

ছেলে - বললো যে সোনা কী করছো। আর কে বললো সেটা যানিনা। সেটা না হয় তুমি বলো।
মেয় - আমি কীভাবে বলবো। কী জানি কত রং নাম্বার থেকে ফোন তেমনি হবে হয়তো।
সিরাজ এসব বিষয় সাধারণত কিছু মনে করতো না। কিন্তু পরীর অ-সাভাবিক আচরন কিছু মনে করতে বাধ্য করছে। তার পরেও সিরাজ বিসয়টাকে ততটা গুরুত্ব দিলো না।
আরো ফোন --
ফোনের ছেলে - হ্যা জানু বলো।
মেয়- আদি তুমি এই অসময়ে ফোন করেছো কেনো। বলো তো,  ফোনটা সিরাজ পিক করেছিলো ও মনেহয় সব বুঝতে পেরেছে।
ফোনের ছেলে - আসলে কী যানো তোমাকে ছাড়া আর এক মুহুর্ত থাকতে পারছি না। প্রত্যেকটা মুহুর্তে তোমার মায়া ভরা মুখটা আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছে পরী।
মেয় - প্লিজ আদি চুপ করো। তুমি তো জানোই আমার বিয়ে হয়ে গেছে। এখন এটা কী করে সম্ভব।
ফোনের ছেলে - তুমি চাইলেই সম্ভব যানো পরী জীবন টা না অনেক দামি। আর মুল্যবান জীবন টাকে এভাবে বড়বাদ করো না। ভুল সবারি হয় তেমনি সিরাজকে বিয়ে করাটা একটা ভুল হিসাবে ধরে নাও। যে মানুষটা তোমাকে সময় দিতে পারে না।  সারাহ্মন শুধু কাজ নিয়েই পরে থাকে। তার কাছে তুমি কখন খুসি হবে না পরী ।
মেয় - আদি আমি এসব বিষয়ে পরে কথা বলছি। ফোন রাখছি এখন।

সকাল ১১ টা থেকে রাত ৮ টা পরযন্ত অফিস করে সিরাজ। তার ইনকাম মোটেও কম নয়। মোটা মুটি বিলাস বহুল জিবন জাপন করার মত যথেষ্ট টাকা আছে সিরাজ এর। যখনি সিরাজ সময় পায় তখনি সে পরীকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়। পরীকে সে বিয়ে করেছিলো ২ বছর আগে। প্রেম করেই বিয়েটা করেছিলো ৩ বছরের প্রেম। অফিসের কাজ করতে করতে হঠাৎ কাল রাতের ফোনেক কথাটা মনে পড়ে গেলো সিরাজের। অনেকটা ভুলেই গিয়ে ছিলো সে। কিন্তু সত্যি কথা হলো যে এই ভাবনা গুলোর মাথা চারা দেওয়ার হ্মমতা প্রবল। সিরাজ ভাবছে
সিরাজ - আচ্ছা পরী কী সত্যি সত্যি কোনো সম্পর্কের মধ্যে জরিয়ে পরেছে।  যদি তাই হয় তাহলে এসব প্রেম ভালোবাসার মানে কী।এত গভির ভালোবাসা ছেড়ে পরী কী সত্যি অন্য কারোর হাত ধরে চলে যাবে। কি সব উলটো পালটা ভাবছি। পরী মোটেও সেরকম না। পরী কখনো আমাকে ছেড়ে চলে যেতে পারে না কখনো না।
পরী রান্না ঘরে আজো সিরাজ হামত মুখ ধুয়ে খাবার টেবিলে বসলো। আজ পরীর ফোনটা টেবিলের উপর নেই। ফোনটা যে পরীর হাতে রয়েছে তা ফোনের শব্দ শুনেই বুঝতে পারলো সিরাজ। কেউ একজন বার বার ফোন করছে। আর পরী সিরাজকে দেখে বার বার ফোনটা কেটে দিচ্ছে। এসব দেখে নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারলোনা সিরাজ। তাকে ব্যাপারটা বুঝতেই হবে। সিরাজের চোখে আজ ঘুম নেই। সে খেয়াল করলো পরীর মধ্য পরিবর্তন এসেছে,  রাতে সুয়ে সুয়ে সিরাজ ভাবছে এইতো কয়েকদিন আগে পরী সোয়ার পর পরী আমার বুকের মধ্য কত আবেগ নিয়ে সারা দিনের করা কাজ গুলোর কথা কী সুন্দর করে সোনাতো,  কতোবার আমায় মিস্ করেছে সেটাও গুনে রাখতো। কিন্তু এখন কী হচ্ছে এসব। পরী ঘুমিয়ে পরেছে। সিরাজ বালিসের কাছ থেকে পরীর ফোনটা হাতে নিলো। অনেকদিন হলো হাতে নেওয়া হয়নি ফোনটা। কল লিস্টটা একদম ফাকা ব্যাপারটা মোটেও সাভাবিক নয় ইনবক্সে গিয়ে আটকে গেলো সিরাজ। ছেলেটার নাম আদিত্য। আদিত্য আর পরীর কী ভাবে পরিচয় হলো তা বোঝা যাচ্ছে না ম্যাসেস গুলো দেখে। আগের অনেক ম্যাসেজি ডিলিট করা হয়েছে। সিরাজ সবগুলো ম্যাসেজ পরতে থাকলো। গত কয়েক দিনে ৩-৪ বার দেখা করেছে ওরা। এই দেখা করাতে দুজন দুজনের প্রতি আরো দূর্বল হয়ে পরেছে। সিরাজ সবচেয়ে অবাক হলো সেই ম্যাসেজ টা দেখে যেটায় পরী আদিত্য কে বাসায় আসতে বলেছে যখন সিরাজ অফিসে থাকে। কিন্তু আদিত্য বাসায় আসতে চায় না। সে চায় পরী যেনো সবকিছু ছেড়ে তার কাছে চলে আসে। সে একেবারে নিজের করে পেতে চায় পরীকে।  রাএি পেরিয়ে সকাল হলো।
পরী - কী ব্যাপার আজ অফিসে যাবে না।
সিরাজ - ছুটি নিয়েছি জানো ভালো করেনি।
পরী - ওও আচ্ছা হ্যা ভালো করেছো।
সিরাজ - চলো আজ কোথাও ঘুরে আসি।
পরী - হ্যা চলো।
পরীর মধ্যে আজ আর আগের মত খুসি লহ্ম করা গেলো না। আজ পরীকে সেখানে নিয়ে এসেছে সিরাজ।  যেখানে তাদের প্রথম দেখা হয়েছিলো। পাশেই নদী প্রচুর বাতাস বইছে। পরীর খোলা চুলগুলো যেনো আনন্দের সাগরে সাতার কাটছে। কিন্তু পরীর মুখে মিথ্যে আনন্দের ছাপ।

সিরাজ - তুমি কী ভালোআছো পরী।
পরী - কেনো দেখতেই তো পারছো। তোমার সাথে ঘুরতে এসেছি। তা আবার এমন একটি যায়গায় ভালো থাকবো না।
সিরাজ - ভালোবাসো আমাকে
পরী - অনেক ভালোবাসি।
সিরাজ -  তবে আদিত্য কে
পরী - আদিত্য - আদিত্য কে।
সিরাজ - কেনো অযোথা লুকানোর চেষ্টা করছো। কী লাব তাতে
পরী - আসলে
সিরাজ - পরী আমার দোষটা কী বলোতো।  কী দোষ আমার আমি কী তোমাকে ভালোবাসি না। তুমি পারলে আমার ভালোবাসাকে এভাবে অপমান করতে। কী ভাবে পারলে তুমি পরী এই যায়গায় দারিয়ে তুমি আমার হাতে হাত রেখে কথা,দিয়ে ছিলে। ভুলেগেছো তুমি বলেছিলে পরিস্থতি যেমনি হোক না কেনো তুমি আমাকে ছেড়ে যাবে না। মনে পরে পরী। আরে কাঁদছো কেনো তুমি।  তুমি ভেবোনা আমি তোমাকে এখন ভালোবাসি না তোমার প্রতি আমার ভালোবাসাটা এখনো তেমনি আছে। যেমন টা আগে ছিলো। যা হওয়ার হয়েগেছে পরী প্লিজ তুমি ফিরে আসো প্লিজ পরী।

পরী  তার কান্নাকে আর সামলাতে না পেরে সিরাজের বুকে মাথা রেখে কেঁদে উঠলো। তার পর দুজনে ফিরে গেলো বাড়িতে। পরী তার ভুল বুঝতে পেরেছে সে কখনই আর এমন ভুল করবে না। কাল রাতে কথা দিয়েছে সিরাজকে। পরের দিন অফিস থেকে বাড়ি ফেরার আগে মার্কেট থেকে একটা লাল টুকটুকে শারি কিনে নিলো সিরাজ। ঠিক যেন বিয়ের শারি। হয়তো এটা দেখে পরী অনেক খুসি হবে।

সিরাজ - পরী এই পরী আরে কোথায় গেলে দেখোতো শারিটা কেমন ৷ পরী কী ব্যাপার
কোনো ঘরেই পরী নেই। দরজাটাও খোলাছিলো সেই মুহুর্তে পরী সিরাজকে একটা ম্যাসেজ করলো। যাতে লেখাছিলো হ্মমা করো সিরাজ আমি তোমাকে দেওয়া কথা রাখতে পারলাম না। আমি আদিত্যর কাছে চলে গেলাম দয়া করে আমাকে হ্মমা করে দিও।
ঘরে গিয়ে নীরস মানুষের মত শুয়ে পরলো সিরাজ। আজ তারচোখে জল নেই। শুয়ে শুয়ে কাকে যেনো ফোন করলো সিরাজ।
হ্যালো আদিত্য
   হ্যা সিরাজ
সত্যি আদিত্য তোমার কোনো জবাব হয় না। পরী আমাকে মুক্তি দিয়ে চলে গেছে আজ আমি অনেক খুসি আদিত্য।
এখনি আমার বাসায় আসো আর তোমার টাকাটা নিয়ে যাও।

সিরাজ আদিত্যর হাতে ৫০ হাজার টাকা তুলেদিলো। আসলে আদিত্য হলো একজন সাইকোলজিস,  সিরাজি তার সাথে ডিল করেছিলো যদি সে পরীকে সিরাজের জিবন থেকে এমন ভাবে সরিয়ে দিতে পারে। যাতে কী না পরী বুঝতেই না পারে সিরাজ তাকে আলাদা করতে চায়। পরী নিজের ইচ্ছায় যেনো চলে যায়৷ তাহলে আদিত্য ৫০ হাজার টাকা পাবে। আদিত্য সহজ ভাবেই ডিলটি গ্রহণ করেছিলো আর বলেছিলো এটা তারকাছে কোনো ব্যাপারি না। কারন একজন সাইকোলজিস হিসেবে সে ভালো করেই যানে। যে কী পেলে মানুষ কী ছাড়তে রাজি হয়। সে যানে কী ভাবে মানুষিকতাকে পরিবর্তন করতে হয়। আজ রাতে আদিত্য কানাডা চলে যাবে পরীকে কোথায় রেখে যাবে তা জানার প্রয়জনও বোধ করলো না সিরাজ। কারন সিরাজ তো নুপুরকে ভালোবাসে।

এইভাবে একটা মেয়ের জিবন নষ্ট হয়ে গেলো। আপনার কাছে গল্পটি কেমোন লেগেছে অবশ্যই নিচে আপনার মুল্যবান  কমেন্টটি করে জানাবেন। আর আপনি যদি ভালোবাসার সায়ীরি পেতে চান তবে ক্লিক করুন।
ধন্যবাদ

You can read love story, most popular in the world.

Do you want to wear such love stories on this website Bengalilyricss.com Our team is constantly writing to share new love stories with you every day. Do you want some events in bangla story love your life, we make this website public, but e-mail us.
আপনি গল্প লিখতে চাইলে ইমেইল করুন।  Labluhossain098@gmail
ধন্যবাদ আপনাকে। 

Post a Comment

please do not any spam link in the comment box .

Previous Post Next Post