Poor man love Story । গরীব এর ভালোবাসা 


আজ আমার জিবনের একটা বিশেষ দিন ।  কেন্ জানেন কারণ আমি একটা প্রেম করেছিলাম কিন্তু সেই মেয়টি আমার সাথে ব্রেকআপ করে টাকা ওয়ালা ছেলের সাথে চলে গেছে আমার অন্য কোন দোষ নেই। আমার দোষটা হলো আমার বেশি টাকা নেই।  চলুন শুনি আমাদের কী ভাবে ব্রেকআপ টা হলো।
মেয় - সোনো তোমার সাথে এই সম্পর্ক আর রাখতে পারবো না। আমি বল্লাম কেনো ?
মেয় - এমনি
ছেলে - এমনি কী কেউ ব্রেকআপ করে
মেয় - আসলে আমি অন্য আর একজনকে ভালোবাসি
ছেলে-  তাহলে আমার সাথে প্রেম করেছিলে কেন।
মেয় - আমি কী জানতাম তুই এত ছোটলোক। সোন প্রেম করতে টাকা লাগে বুঝলি।

কথা গুল সুনে আমি একদম চুপ হয়ে গেলাম কারণ সুধু ব্রকআপ করলে মেনে নিতে অত কষ্ট হতো না। কিন্তু আমায় যে অপমান করল সেই রাগে আমি সরাসরি রুমে গিয়ে ব্যাগটা গুছিয়ে নিয়ে গ্রামে যাওয়ার জন্য রহনা দিলাম।  বিকেলের ট্রনে আমি চলে যাবো। মনটা খুব খারাপ আমি ট্রেনে মন খারাপ করে বসে আছি আমার পাসের সিট টা খালি হঠাৎ  দেখি আমার পাশের সিটে একটা সুন্দরি মেয় বসলো আমি কিছু না বলে চুপ করে আগের মত করে মন খারাপ করে বসে রইলাম। কিছু সময় পর মেয়টি আমায় বললো হাই (Hi) আমি মিতু হ্যালো (Hallo)  আমি মেহেদি মেয়টি বললো আপনি কোথায় যাবেন আমি বললাম বালাসি
মেয় - তাই আমিও বালাসি যাচ্ছি

এই বলে আমি চুপ করে বসলাম কিছুহ্মন পরে মেয়টি বললো।
মেয় - আচ্ছা আপনার মন খারাপ কেন
ছেলে - এমনি
মেয় - সত্যি করে বলেন তো কেন্ ,  আমার সাথে সেয়ার করলে দেখবেন আপনার মন হালকা হয়ে গেছে।
ছেলে - আসলে আমি একজন কে ভালোবাসেছিলাম কিন্তু আমি গরিভ বলে সে অন্য আর একজনের হাত ধরে চলে গেছে। 
মেয়টি হাসলো আমি বললাম আপনি হাসছেন কেন
মেয়টি বললো এমনি
মেয় - সে চলে গেছে তো কী হয়েছে আর একজনের সাথে প্রেম করেন
ছেলে - মানুষের মন কী খেলার জিনিস যে মন নিয়ে খেলা করবো।
এইভাবে গল্প করতে করতে স্টেশন চলে আসলো আমি চলে যাচ্ছি মেয়টাও চলে গেলো।  কিছুদিন পর একটা মেয় আমার ফোনে ফোন করলো।
ছেলে - হ্যালো কে বলছেন।
মেয় - আমি আপনার ট্রেনের সাথি
ছেলে - ওও আচ্ছা আমার নাম্বার কোথায় পেয়েছেন
মেয় - আমি আপনার নাম্বার চুরি করে নিয়েছি।
ছেলে - কীভাবে ?
মেয় - আপনার ব্যাগে আপনার নাম্বার লিখেছিলেন না ওইখান থেকে নিয়েছি ।
ছেলে - ওও তা ফোন করেছিলেন কেনো
মেয় - আপনার একটা জিনিষ আমার কাছে আছে
ছেলে - কী জিনিষ।
মেয় - এখন বলবো না আপনি আমার সাথে দেখা করেন তার পর।
ছেলে - কোথায়
মেয় - আমি আপনাকে বলে দিবো।
আমি বললাম ঠিক আছে ।  তার পর মেয়টি দেখা করে যা বললো (মেয়টি বললো)  আসোলে আপনার কোন্ জিনিষই আমার কাছে নেই। আমি বললাম তাহলে মিথ্যা কথা বললেন কেন্
মেয়- আসোলে আমার একটা জিনিষ আপনি নিয়ে গেছেন
ছেলে - কী জিনিষ
মেয় - আসলে আপনার সাথে ট্রেনএ পরিচয় হবার পর থেকে আপনার জন্য আমার মনে একটা জায়গা সৃষ্টি হয়েছে। আমি আপনাকে ভালোবেসে ফেললেছি বাড়িতে যাওয়ার পর থেকে শুধু আপনার কথাই মনে পরছিল।
ছেলে - দেখেন আমি আর এই প্রেম ভালোবাসা পছন্দ করি না।
মেয় - আমি জানি যে আপনি অনেক কষ্ট পেয়েছেন।  কিন্তু বিশ্বাষ করেন আমি আপনাকে সত্যি ভালোবাসি। 
ছেলে - শোনেন আমি আর এই প্রেম ভালোবাসার মধ্য নেই যদি কেউ আমায় ভালোবাসে তাহলে আমি তাকে বিয়ে করবো।  আপনি কী আমায় বিয়ে করতে পারবেন।
মেয় - হ্যা আমি আপনাকেই ভালোবাসি আপনাকেই বিয়ে করবো।
ছেলে - আমড়া কিন্তু গরিভ আপনার বাসার সবাই মেনে নিবে তো
মেয় - মানলে মানবে না মানলে না মানবে আমি আপনাকেই বিয়ে করবো।
ছেলে-  আচ্ছা আপনি আমার কী দেখে প্রেমে পরলেন।
মেয় - জানিনা শুধু জানি আমি আপনাকে ভালোবাসি। 
আমি আপনাকে এখুনি বিয়ে করবো।
ছেলে - এখন বিয়ে করে কোথায় যাবো। 
মেয় - যেই দিকে মন চায় সেইদিকেই যাবো
ছেলে - খাবে কী ? 
মেয় - তুমি আমায় যা খেতে দিবা আমি তাই খেয়ে থাকবো।
তার পর সেইদিনি বিয়ে করে।  বিয়ের পরে ছেলেটি সরা সরি তার বাড়িতে নিয়ে যায়।  যাওয়ার পরে মেয়টি ছেলেটির বাড়ি দেখে চমকে যায়।  কারন ওই বাড়িটি ওই এলাকার সব থেকে সুন্দর একটি বাড়ি। তখন মেয়টি ছেলেটিকে বললো -   এটা কাদের বাসা
ছেলে - তোমার শশুরের
মেয় - তাহলে তুমি আমাকে মিথ্যা বলে ছিলে কেন্
ছেলে - কারন আমি এমন এক জনকে চেয়েছিলাম যে আমাকে দেখে ভালোবাসবে আমার সম্পদ দেখে নয়।  সেযন্য কলেজে আমি আমার আসল পরিচয় কাউকেই দেইনি। আমি এত বড় লোকের ছেলে হওয়ার পরেও একজন সাধারন পরিবারের মানুষের  মত চলেছি। 

কথাগুলো শোনার পর মেয়টি কাঁদতে কাঁদতে ছেলেটিকে জরিয়ে ধরে বললো আই লাভ ইউ আমি শুধু তোমাকেই ভালোবাসি শুধু তোমাকেই।

ভালোবাসতে কারন লাগেনা যে ভালোবাসায় কারন লাগে সেটা কখন সত্যি কারের ভালোবাসা হতে পারে না। তাই জিবীন থেকে কেউ চলে গেলে আপনি আফসোস করবেন না।  কারন ভুল মানুষ গুল আসেই চলে যাওয়ার জন্যই আর তারা চলেগিয়েইতো সঠিক মানুষটি আসার রাস্তা তৈরি করে দিয়ে যায়।









Post a Comment

please do not any spam link in the comment box .

Previous Post Next Post