ব্রেকআপের অনেক দিন পর। আজরের গল্প টি Brackup এর অনেক দিন পর Brackup Love story in Bangla 

মেয় - (ছেলেটিকে ফোন দিয়ে)  হ্যালো কেমন আছো
ছেলে - কে বলছেন
মেয় - আমাকে ভুলেই গেছ তাইনা
ছেলে - আচ্ছা রাখছি অপরিচিত মানুষের সাথে কথা বলে কোন্ লাভ নেই।
মেয় - সব কিছুতেই লাভ খুজতে শুরু করেছ।
ছেলে - হ্যা একজন আমাকে এটা শিখিয়েছে,  তো কে আপনি
মেয় - এখন তোমার জিবনে আমার কোন্ পরিচয় নেই। 
ছেলে -  আচ্ছা যাই হোক হঠাৎ আনব্লোক (unblock) করলে যে।
মেয় - আমার ইচ্ছে হয়েছে তাই
ছেলে - ওও সেদিনও ত তোমার ইচ্ছায় রেখেছিলাম কিন্তু আজকে কী চাও। 
মেয় - কিছু চাওয়া ছাড়া কী ম্যাসেজ বা কল্ দেওয়া যাবে না। 
ছেলে -  হ্যা বলো শুনছি
মেয় - উওর টা দিলেনাত
ছেলে - জানার অধিকার টা অনেক আগেই হারিয়েছ।  তুমি কেমন আছো। 
মেয় - হু এইত ভালো
ছেলে - তার মানে বেশি ভাল নেই
মেয় - কী ভাবে বুঝলে।
ছেলে - সেটা যদি তুমি জানতে তাহলে কখন ছেড়ে যেতে না।  আচ্ছা শোনো আমি বের হবো কিছু বল্লে তারা তারি বলো। 
মেয় - একটু সময় কী পাওয়া যাবে। 
ছেলে - হ্যা বলো
মেয় - কী করো তুমি।
ছেলে - দোকানে বসে আছি
মেয় - এখন ছাড়নি সিগারেট খাওয়া
ছেলে - যার জন্য ছেড়েছিলাম সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে তাই আমিও আবার আগের মত হয়ে গেছি।
মেয় - তুমি কী আর রিলেশন করেছ। 
ছেলে - যদি করতাম তাহলে আন্নননাম্বারের  (unknownumber) কোন্ ফোন রিসিভ করতাম না। 
কী বলবে একটু তারা তাড়ি বলো
মেয় - আমাকে কী আর একবার সুযগ দিবে তোমার জিবনে ফিরে আসতে।
ছেলে - কেন সে কী তোমাকে শুখে রাখে না। হু বুঝলাম যাইহোক কেন ফিরে আসতে চাও। 
মেয় -  তোমার মত করে কেউ ভালো বাসে না।
ছেলে - আমি বলেছিলাম তোমাকে
মেয় - খুবি কষ্ট হয় তোমায় ছাড়া
ছেলে - জানো খুব ইচ্ছে করে তোমাকে আবার বুকে জড়াতে আমার জিবীনে তোমায় ফিরিয়ে আনতে।
মেয় - তহলে কেন ফিরে নিচ্ছ না
ছেলে -  কারন এইবার তোমায় ফিরিয়ে নিলে যখনি তুমি আামার চোখের দিকে তাকাবে তখনি তোমার নিজের কাছে অপরাধী মনে হবে এখন আর আমার চোখে ভালোবাসা খুঁজে পাবে না তুমি।  মনে হবে করুনা করছি
আর তোমার চোখের দিকে তাকালে মনে হবে আমার প্রতিতা রাত প্রতিতা দিনের কথা। 
মেয় - প্লিজ আমার কান্না পাচ্ছে
ছেলে - সেদিন আমিও কেঁদেছিলাম একটা বারো দেখনি তুমি প্রতি রাতে জেগে থাকতাম আর তোমার আমার কাটানো মুহুর্ত গুল আমার বুকে খুব জোড়ে আঘাত করত
বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাই শেষ হয়ে যেত কিন্তু তখন একবারের জন্য মনে করোনি তুমি। 
মেয় - sorry প্লিজ একবার ফিরে আসো। ব্রেকআপের অনেক দিন পর।

মেয় - (ছেলেটিকে ফোন দিয়ে)  হ্যালো কেমন আছো
ছেলে - কে বলছেন
মেয় - আমাকে ভুলেই গেছ তাইনা
ছেলে - আচ্ছা রাখছি অপরিচিত মানুষের সাথে কথা বলে কোন্ লাভ নেই।
মেয় - সব কিছুতেই লাভ খুজতে শুরু করেছ।
ছেলে - হ্যা একজন আমাকে এটা শিখিয়েছে,  তো কে আপনি
মেয় - এখন তোমার জিবনে আমার কোন্ পরিচয় নেই। 
ছেলে -  আচ্ছা যাই হোক হঠাৎ আনব্লোক (unblock) করলে যে।
মেয় - আমার ইচ্ছে হয়েছে তাই
ছেলে - ওও সেদিনও ত তোমার ইচ্ছায় রেখেছিলাম কিন্তু আজকে কী চাও। 
মেয় - কিছু চাওয়া ছাড়া কী ম্যাসেজ বা কল্ দেওয়া যাবে না। 
ছেলে -  হ্যা বলো শুনছি
মেয় - উওর টা দিলেনাত
ছেলে - জানার অধিকার টা অনেক আগেই হারিয়েছ।  তুমি কেমন আছো। 
মেয় - হু এইত ভালো
ছেলে - তার মানে বেশি ভাল নেই
মেয় - কী ভাবে বুঝলে।
ছেলে - সেটা যদি তুমি জানতে তাহলে কখন ছেড়ে যেতে না।  আচ্ছা শোনো আমি বের হবো কিছু বল্লে তারা তারি বলো। 
মেয় - একটু সময় কী পাওয়া যাবে। 
ছেলে - হ্যা বলো
মেয় - কী করো তুমি।
ছেলে - দোকানে বসে আছি
মেয় - এখন ছাড়নি সিগারেট খাওয়া
ছেলে - যার জন্য ছেড়েছিলাম সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে তাই আমিও আবার আগের মত হয়ে গেছি।
মেয় - তুমি কী আর রিলেশন করেছ। 
ছেলে - যদি করতাম তাহলে আন্নননাম্বারের  (unknownumber) কোন্ ফোন রিসিভ করতাম না। 
কী বলবে একটু তারা তাড়ি বলো
মেয় - আমাকে কী আর একবার সুযগ দিবে তোমার জিবনে ফিরে আসতে।
ছেলে - কেন সে কী তোমাকে শুখে রাখে না। হু বুঝলাম যাইহোক কেন ফিরে আসতে চাও। 
মেয় -  তোমার মত করে কেউ ভালো বাসে না।
ছেলে - আমি বলেছিলাম তোমাকে
মেয় - খুবি কষ্ট হয় তোমায় ছাড়া
ছেলে - জানো খুব ইচ্ছে করে তোমাকে আবার বুকে জড়াতে আমার জিবীনে তোমায় ফিরিয়ে আনতে।
মেয় - তহলে কেন ফিরে নিচ্ছ না
ছেলে -  কারন এইবার তোমায় ফিরিয়ে নিলে যখনি তুমি আামার চোখের দিকে তাকাবে তখনি তোমার নিজের কাছে অপরাধী মনে হবে এখন আর আমার চোখে ভালোবাসা খুঁজে পাবে না তুমি।  মনে হবে করুনা করছি
আর তোমার চোখের দিকে তাকালে মনে হবে আমার প্রতিতা রাত প্রতিতা দিনের কথা। 
মেয় - প্লিজ আমার কান্না পাচ্ছে
ছেলে - সেদিন আমিও কেঁদেছিলাম একটা বারো দেখনি তুমি প্রতি রাতে জেগে থাকতাম আর তোমার আমার কাটানো মুহুর্ত গুল আমার বুকে খুব জোড়ে আঘাত করত
বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাই শেষ হয়ে যেত কিন্তু তখন একবারের জন্য মনে করোনি তুমি। 
মেয় - sorry প্লিজ একবার ফিরে আসো।
ব্রেকআপের অনেক দিন পর।

মেয় - (ছেলেটিকে ফোন দিয়ে)  হ্যালো কেমন আছো
ছেলে - কে বলছেন
মেয় - আমাকে ভুলেই গেছ তাইনা
ছেলে - আচ্ছা রাখছি অপরিচিত মানুষের সাথে কথা বলে কোন্ লাভ নেই।
মেয় - সব কিছুতেই লাভ খুজতে শুরু করেছ।
ছেলে - হ্যা একজন আমাকে এটা শিখিয়েছে,  তো কে আপনি
মেয় - এখন তোমার জিবনে আমার কোন্ পরিচয় নেই। 
ছেলে -  আচ্ছা যাই হোক হঠাৎ আনব্লোক (unblock) করলে যে।
মেয় - আমার ইচ্ছে হয়েছে তাই
ছেলে - ওও সেদিনও ত তোমার ইচ্ছায় রেখেছিলাম কিন্তু আজকে কী চাও। 
মেয় - কিছু চাওয়া ছাড়া কী ম্যাসেজ বা কল্ দেওয়া যাবে না। 
ছেলে -  হ্যা বলো শুনছি
মেয় - উওর টা দিলেনাত
ছেলে - জানার অধিকার টা অনেক আগেই হারিয়েছ।  তুমি কেমন আছো। 
মেয় - হু এইত ভালো
ছেলে - তার মানে বেশি ভাল নেই
মেয় - কী ভাবে বুঝলে।
ছেলে - সেটা যদি তুমি জানতে তাহলে কখন ছেড়ে যেতে না।  আচ্ছা শোনো আমি বের হবো কিছু বল্লে তারা তারি বলো। 
মেয় - একটু সময় কী পাওয়া যাবে। 
ছেলে - হ্যা বলো
মেয় - কী করো তুমি।
ছেলে - দোকানে বসে আছি
মেয় - এখন ছাড়নি সিগারেট খাওয়া
ছেলে - যার জন্য ছেড়েছিলাম সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে তাই আমিও আবার আগের মত হয়ে গেছি।
মেয় - তুমি কী আর রিলেশন করেছ। 
ছেলে - যদি করতাম তাহলে আন্নননাম্বারের  (unknownumber) কোন্ ফোন রিসিভ করতাম না। 
কী বলবে একটু তারা তাড়ি বলো
মেয় - আমাকে কী আর একবার সুযগ দিবে তোমার জিবনে ফিরে আসতে।
ছেলে - কেন সে কী তোমাকে শুখে রাখে না। হু বুঝলাম যাইহোক কেন ফিরে আসতে চাও। 
মেয় -  তোমার মত করে কেউ ভালো বাসে না।
ছেলে - আমি বলেছিলাম তোমাকে
মেয় - খুবি কষ্ট হয় তোমায় ছাড়া
ছেলে - জানো খুব ইচ্ছে করে তোমাকে আবার বুকে জড়াতে আমার জিবীনে তোমায় ফিরিয়ে আনতে।
মেয় - তহলে কেন ফিরে নিচ্ছ না
ছেলে -  কারন এইবার তোমায় ফিরিয়ে নিলে যখনি তুমি আামার চোখের দিকে তাকাবে তখনি তোমার নিজের কাছে অপরাধী মনে হবে এখন আর আমার চোখে ভালোবাসা খুঁজে পাবে না তুমি।  মনে হবে করুনা করছি
আর তোমার চোখের দিকে তাকালে মনে হবে আমার প্রতিতা রাত প্রতিতা দিনের কথা। 
মেয় - প্লিজ আমার কান্না পাচ্ছে
ছেলে - সেদিন আমিও কেঁদেছিলাম একটা বারো দেখনি তুমি প্রতি রাতে জেগে থাকতাম আর তোমার আমার কাটানো মুহুর্ত গুল আমার বুকে খুব জোড়ে আঘাত করত
বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাই শেষ হয়ে যেত কিন্তু তখন একবারের জন্য মনে করোনি তুমি। 
মেয় - sorry প্লিজ একবার ফিরে আসো।
ছেলে -  তোমার এই sorry টা পারবে না আমার ওই কষ্টের দিন গুল ফিরিয়ে দিতে।
তুমি ফিরে আসতে চেওনা এইবার ফিরে আসলে আমার খেকে বেসি কষ্ট তোমার হবে। 
মেয় - একটা সুযক কী পাবো না
ছেলে -  সুযগ যদি আমি দিয়েও দেই তবে তুমি সেই আগের তুমি হয়ে আর আমি সেই আগের আমি হয়ে উঠতে পারবো না।
মেয় - কেন পারবো না চেষ্টা করলে ঠিকি পারবো।
ছেলে - মন যার ভাঙ্গে সেই জানে যে সেটা আর আগের মত জোড়া লাগানো সম্ভব নয়। 
মেয় - হু তবুও
ছেলে - যানি তোমাকে ভুলতে পারবো না তবুও ফিরে পেতে চাইনা। আর তোমার ওই অপরাধি মুখটা আর দেখতে চাই না।
যাইহোক তুমি ভালো থেকো আমিও চেষ্টা করবো কিন্তু প্লিজ আর কারো মন নিয়ে খেলা করো না অনেক কষ্ট হয়।
মেয় - সত্যি সেদিন যদি তোমাকে বুঝতাম।
প্লিজ একবার সুযগ দাও একবার আপন করে নাও প্লিজ।
আমি আর তোমায় হারাবো না ।
ছেলে - এমন কথাতো তুমি আগেও অনেক দিয়েছিলে একাটাও কী রাখতে পাইছ।  শুরুতে সবাই এমনি বলে তুমিও বলে ছিলে কিন্তু বাস্তবতা ঠিক তার উল্ট।
মেয় -........
ছেলে - তোমার নিরাবতা জানিনা কী বলছে কিন্তু সত্যি আমি আর পারবো না বায় (bye) ভালো থেকো


অসময়ে কাঁদার থেকে সময় থাকতে মানুষকে মুল্য দিতে শিখুন। মনে রাখবেন হারানো জিনিষ ফিরা পাওয়া যায়না।







Post a Comment

please do not any spam link in the comment box .

Previous Post Next Post